Text size A A A
Color C C C C
পাতা

সাধারণ তথ্য

গ্রামীন উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লবের জন্য সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির ১৬নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়। নগর ও গ্রামাঞ্চলের জীবন যাত্রার মানের বৈষম্য ক্রমাগতভাবে দূর করিবার উদ্দেশ্যে কৃষি বিপ্লবের বিকাশ,গ্রামাঞ্চলে বৈদ্যুতিকরনের ব্যবস্থা, কুটির শিল্প ও অন্যান্য শিল্পের বিকাশ এবং শিক্ষা, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলের আমূল রূপান্তর সাধনের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহন করিবেন” এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৭৭ সালে ২৯শে অক্টোবর পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড অধ্যাদেশ অনুমোদন লাভ করে এবং ৩১শে অক্টোবর গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।

** অবাধ ও স্বেচ্ছা প্রণোদিত সদস্যতা,

** তৃনমূল পর্যায়ে গণতান্ত্রিক চর্চা,

** লাভ নয় লোকসান নয় ভিত্তিতে পরিচালিত

** অবিরত শিক্ষা,

এই ৪টি মূলনীতি অনুসরনে  প্রাথমিক ভাবে ১৩টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি নিয়ে ০২/০১/১৯৮০ ইং তারিখ USAIDএর সহায়তায় আনুষ্ঠানিক বিদ্যুতায়ন শুরু হয়।

পরবর্তীতে ১৯৯৩ইং সালে বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে মানিকগঞ্জপল্লী বিদ্যুৎ সমিতি আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে।

 


এক নজরে মানিকগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি

 


>>    মোট আয়তন                                      : ১৪৪৫ বর্গ কিঃমিঃ

>>    উপজেলা                                            : ০৭ টি (মানিকগঞ্জ সদর, সিংগাইর, সাটুরিয়া, ঘিওর, হরিরামপুর, শিবালয়, দৌলতপুর)

>>    ইউনিয়ন                                            : ০৭ টি

>>     মোট গ্রাম                                         : ১৩২৪ টি

>>    নিবন্ধিকরনের তারিখ                            : ০৭/০১/১৯৯৩ খ্রিঃ

>>    বিদ্যুতায়নের তারিখ                               : ১৩/০৮/১৯৯৩ খ্রিঃ

>>    এলাকা সংখ্যা                                       : ০৯ টি

>>     এলাকা পরিচালক ও মহিলা পরিচালক         : এলাকা পরিচালক ০৭ জন ও মহিলা পরিচালক ০৩ জন।

>>     বিদ্যুতায়িত উপকেন্দ্র                           : মোট ০৯টি

 

                                        ১) মানিকগঞ্জ সদর - ১৫ এমভিএ,

                                        ২) উথুলী - ১৫ এমভিএ

                                        ৩) ঘিওর - ১০ এমভিএ

                                        ৪) গঙ্গাধরপট্টি - ১০ এমভিএ

                                        ৫) সাটুরিয়া- ১০ এমভিএ      

                                        ৬) মানিকগঞ্জ গ্রীড-১০ এমভিএ

                                        ৭) সিংগাইর-২০ এমভিএ  

                                        ৮) সিংগাইর ২ -১০ এমভিএ

                                        ৯) হরিরামপুর-২০ এমভিএ

 

>>    বিতরণ উপকেন্দ্রের ক্ষমতা                     : ১২০ এমভিএ

>>     জোনাল অফিস                                       : ০৩ টি (মানিকগঞ্জ, সিংগাইর, ঘিওর জোনাল অফিস)

>>     সাব-জোনাল অফিস                                 : ০২ টি (সাটুরিয়া, ঝিটকা সাব-জোনাল অফিস)

>>     এরিয়া অফিস                                         : ০৩ টি (গঙ্গাধরপট্টি, উধুলী, দৌলতপুর)

>>     বিদ্যুৎ সেবা কেন্দ্র                                : ২২ টি 

>>     মোট নির্মিত লাইন                                  : ৪৫০০.৪ কিঃমিঃ

>>     বিদ্যুতায়িত লাইন                                    : ৪৪১৬.২৫ কিঃ মিঃ

>>     বিতরণ ট্রান্সফরমার                               : ১৪৯৪৬ টি

>>     বিতরণ ট্রান্সফরমার সক্ষমতা                   : ১৬৭.৭১ এমভিএ

>>     সংযোগ সুবিধা সৃষ্টি                               : ২৮১৯৭১ জন

 

                       >     আবাসিক        : ২৪৯০৯৪ জন

                       >     বানিজ্যিক       : ২০৬১২ জন

                       >     সেচ                :  ৭৯৩৮ জন

                       >     শিল্প               :  ১৪৬৫ জন

                       >     অন্যান্য           :  ২৮৬২ জন

 

>>     বর্তমানে মোট গ্রাহক সংখ্যা                              :  ২,৮১৯০৪ জন

>>     মাসিক গড় বিদ্যুৎ ক্রয়       (২০১৫-১৬)               :  ৩৩২৫৪৪০৩ কিঃওঃঘঃ

>>     মাসিক গড় বিদ্যুৎ বিক্রয়(২০১৫-১৬)                   :  ২২৫২৯৩৬৩ কিঃওঃঘঃ

>>     সিস্টেম লস

                                    (বিলিং মিটার)                       :  বর্তমান মাসঃ ০৮.২৫%,

                                                                              :  ইয়ার টু ডেটঃ ১০.০৬%

 

 

অত্র অঞ্চলে পল্লী বিদ্যুতায়ন কাযক্রমের আথ সামাজিক প্রভাব

 

** অত্র সমিতির আওতায় প্রায় ৭০% গ্রাম বিদ্যুতায়ন করা হইয়াছে।

** সমিতির ভৌগলিক এলাকায়  ৬৫২৫ টি সেচ পাম্প বিদ্যুতায়ন করা হইয়াছে। 

** বিদ্যুতায়িত পাম্পের মাধ্যমে প্রায় ৫৫৮৮১ একর জমি সেচ সুবিধার আওতায় আসিয়াছে।

** সমিতি ভৌগলিক এলাকায় ছোট বড় ১৪৬৫ টি শিল্প কারখানায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হইয়াছে।

** এই সকল শিল্প কারখানার আওতায় প্রায় ৬০০০ জন লোকের কর্ম সংস্থান হইয়াছে।

** এই সকল শিল্প প্রতিষ্ঠানের বানিজ্যিক কার্যক্রম প্রসারের ফলে আরো অতিরিক্ত কর্ম সংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হইয়াছে। সেচ পাম্পের পাশাপাশি ৩০ টি মৎস প্রকল্প ও ২৫০ টি পোলট্রি ফার্মে সংযোগ প্রদানের ফলে অত্রাঞ্চলে প্রোটিনের  চাহিদা পূরন পূর্বক দেশের সকল এলাকায় প্রোটিনের চাহিদা অনেকাংশে মিটানো সম্ভব হইয়াছে।

** সমিতি ভৌগলিক এলাকায় প্রায় সকল বিদ্যুতায়িত আবাসিক গ্রাহকগন টেলিভিশন ব্যবহার করেন ফলশ্রুতিতে  গ্রামাঞ্চলে চিত্ত বিনোদনের সুযোগ সৃষ্টি হইয়াছে।

**  রেডিও ও টেলিভিশনের মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলে আবাসিক গ্রাহকগণ জন্ম নিয়ন্ত্রণ ও স্বাস্থ্য সচেতন মূলক অনুষ্ঠানে উপভোগের সুযোগ সৃষ্টি হইয়াছে।

** পল্লী বিদ্যুতায়ন কার্যক্রমের ফলে গ্রামাঞ্চলে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন,ইন্টারনেট ব্যবহার বৃদ্ধি পাইয়াছে।